নিউ জার্সির নিওয়ার্ক বিমানবন্দরে ব্রাজিল দলকে বহনকারী বিমানটি অবতরণের পর ‘ওয়াটার স্যালুট’ দেওয়া হয়
বিশ্বকাপে অংশ নিতে দেশ ছেড়েছে ব্রাজিলের ফুটবল দল। তাঁদের বহনকারী বিমান পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই বিমানের দুটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
জলকামান দিয়ে বিমানকে গোসল করানোর একটি ভিডিও করা হয়েছে ব্রাজিলের মাটিতে। সেটা দেশের মাটি থেকে উড়াল দেওয়ার আগে, অন্য ভিডিওটি যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর। সেটাও বিমানকে জলকামান দিয়ে গোসল করানোর ভিডিও। বিমানটিকে মাঝে রেখে দুই প্রান্ত থেকে পানির ফোয়ারা ছুটিয়ে গোসল করানো হয়। এই ভিডিও বেশ সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য মেনে রিও ডি জেনিরোর গ্যালিয়াও বিমানবন্দরে উড্ডয়নের আগমুহূর্তে নেইমারদের বহনকারী বিমানকে ‘ওয়াটার স্যালুট’ বা জলকামানের পানিতে ভেজানো হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে নিউ জার্সির নিওয়ার্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিমানটিকে গোসল বা ‘ওয়াটার স্যালুট’ জানানো হয়।
সংবাদমাধ্যম আরও জানিয়েছে, বিমান চালনা বা এভিয়েশনের ভাষায় যেকোনো
প্রতিনিধিদলের জন্য শুভকামনা ও সৌভাগ্যের প্রতীক ব্রাজিল দলকে বহনকারী বিমানকে ‘ওয়াটার স্যালুট’ দিয়ে সম্মান জানানো হয়। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফ্লাইটের আগে—যেমন কোনো বিমানের প্রথম উড্ডয়নকে স্মরণীয় করে রাখতে সাধারণত ‘ওয়াটার স্যালুট’ দেওয়ার ঐতিহ্য রয়েছে। বিমানবন্দরের কর্মীরাই মূলত ওয়াটার স্যালুটের আয়োজন করেন। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের বহনকারী বিমানের ক্ষেত্রে তারা আগেভাগেই ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) সঙ্গে যোগাযোগ করে এর আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিয়ে রেখেছিলেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সান’।
ধারণা করা হয়, জলকামানের এই পানির মাধ্যমে বিমানটির যাত্রায় এবং পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের একধরনের আশীর্বাদ ও শুভকামনা বর্ষণ করা হয়। এই আচারের মাধ্যমে পুরো যাত্রার ওপর শুভকামনা বর্ষিত হয় এবং তা দলের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনে।